কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৪ হাজার ৬৪৩ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। জয়ী হওয়ার পর তিনি ৩০ বছর আগের করা একটি নিয়ত পূরণ করেন।
আজ শুক্রবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বড়হাটি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদ-এ জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান বলেন, “৩০ বছর আগে আমি নিয়ত করেছিলাম, যদি নির্বাচনে পাস করতে পারি, তাহলে এই মসজিদে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করব। আজ আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়ায় আল্লাহ আমার সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।”
তিনি এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, শত প্রতিকূলতা ও নির্যাতন সহ্য করে তাঁকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন জনগণ। এলাকার উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান
ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধকে অন্ধকারে নিক্ষেপের চেষ্টা হয়েছিল বলে তাঁর অভিযোগ। সে সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধ, অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন বলে দাবি করেন। সংসদে গিয়ে এসব বিষয় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার কথাও জানান তিনি।
দল ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দলের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবেন।
ভোটের ফল
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ১৫০টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রোকন রেজা পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩২৬ ভোট।
উল্লেখ্য, এই ব্যবধানেই ৩০ বছর আগের করা ব্যক্তিগত অঙ্গীকার পূরণ করার সুযোগ পান নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।
















