গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
জানা যায়, মরদেহটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের ছেলে মো. হাবিবউল্লাহর (১২) ।
পুলিশ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বাইপাস এলাকার আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল হাবিবউল্লাহ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে পড়াশোনার সময় সে টয়লেটে যায়। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফিরে না আসায় বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে।
পরে মাদ্রাসার নিরাপত্তাকর্মীকে দিয়ে টয়লেটের দরজায় একাধিকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে টয়লেটের ভেন্টিলেশনের সঙ্গে তোয়ালে পেঁচানো অবস্থায় হাবিবউল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তারা বলেন, বাড়ি যেতে চাইলে অনেক সময় অনুমতি দেওয়া হয় না। সহপাঠীদের দাবি, নিহত হাবিবউল্লাহ তার মাকে জানিয়েছিল যে সে আর ওই মাদ্রাসায় থাকতে চায় না।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসীর উদ্দিন বলেন, এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় নির্যাতনসংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
















