ইরান ও হিজবুল্লাহর সম্ভাব্য হামলার আতঙ্কে ইসরায়েলে মানসিক চাপ ও মানসিক রোগের হার বাড়ছে বলে দাবি করেছে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটির হিব্রু বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বারবার আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হওয়ায় মানুষের মানসিক ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দখলকৃত অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে। ইরান বা উত্তরের দিক থেকে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ড্রোন হামলার আশঙ্কা দেখা দিলেই এই সাইরেন বাজানো হয়। সাইরেন বাজলে বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয় এবং বিপদ কেটে গেলে তারা আবার ঘরে ফিরে যান।
তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, অনেক সময় তিন থেকে চার ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিকবার সাইরেন বাজছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষকে বারবার ঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। প্রতিবারই সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন।
প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও সতর্কতা ব্যবস্থার অসঙ্গতিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে সাইরেন বাজলেও কোনো হামলা হয় না, আবার কখনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নিক্ষেপের পরও সাইরেন বাজে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এই পরিস্থিতি আরও প্রকট হয়েছে। দিন-রাত অজানা আশঙ্কা নিয়ে বসবাস করতে হওয়ায় অনেক মানুষের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক অস্থিরতা বাড়ছে বলে সেখানে দাবি করা হয়েছে।
















