মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের চারটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করার ঠিক আগ মুহূর্তে তেহরান তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
ফ্লোরিডার পাম বিচে এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, “আজ সোমবার রাত নাগাদ ইরানের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের প্রস্তুতি ছিল। কেন্দ্রটি তৈরি করতে ইরান ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। তারা চায়নি সেটি ধ্বংস হোক, তাই আমাদের ফোন করেছে। এখন তারা একটি চুক্তিতে আসতে চায়।”
প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “আমাদের মধ্যে প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। চুক্তি হবে কেবল তখনই যদি কোনো যুদ্ধ না হয় এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র না থাকে। এর বাইরে কোনো চুক্তি হবে না।”
ট্রাম্প জানান, আলোচনায় তার উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার যুক্ত রয়েছেন।
এক পর্যায়ে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিষয়ে অস্পষ্ট মন্তব্য করে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একজন শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয়েছে; তবে কোনো সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে নয়। আমরা জানি না তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কিনা।”
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের স্বার্থ—বিশেষ করে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের স্বার্থকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই টেলিফোনে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এর আগে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না বলে স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছিল।
















