রোববার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ |
আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম রিলসে অতিরিক্ত সময় কাটানো মানুষের মনোযোগ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমাচ্ছে।
মূল বিষয়গুলো:
-
গবেষণা: ৭১টি পৃথক গবেষণার ৯৮,২৯৯ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ
-
প্রভাব:
-
মনোযোগ ধরে রাখা ও মানসিক শ্রমের কাজ আরও কঠিন
-
স্মৃতি, ভাষা, ওয়ার্কিং মেমরি ও বিশ্লেষণ দক্ষতায় অবনতি
-
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বৃদ্ধি
-
সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধি
-
-
মেকানিজম:
-
দ্রুতগতির, উত্তেজনামূলক কনটেন্ট ‘হ্যাবিচুয়েশন’ সৃষ্টি করে
-
বিরতিহীন সোয়াইপ ও নতুন কনটেন্ট ডোপামিন নিঃসরণ করে, রিইনফোর্সমেন্ট লুপ তৈরি করে
-
ফলশ্রুতিতে ‘ব্রেইন রট’ বা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস
-
-
অতিরিক্ত তথ্য:
-
গবেষণায় দেখা গেছে, সোশ্যাল মিডিয়া আসক্ত শিশুদের পড়াশোনা, স্মৃতি ও শব্দভাণ্ডারে স্কোর উল্লেখযোগ্যভাবে কম
-
প্রযুক্তি ছাড়া কাজ করলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বেশি থাকে
-
অক্সফোর্ড ডিকশনারি অনুযায়ী, ‘ব্রেইন রট’ হল অতিরিক্ত মানহীন অনলাইন কনটেন্ট গ্রহণের ফলে বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানসিক সক্ষমতার হ্রাস।
উপসংহার:
ডিজিটাল যুগে শর্টফর্ম ভিডিও আসক্তি শুধু সময় খায় না, বরং মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাতেও প্রভাব ফেলে।

















