শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইরানের শিরিন এবাদি অভিযোগ করেছেন, ইরানের কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যা চালাচ্ছে এবং এর চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টে এই নোবেল বিজয়ী লিখেছেন, “ইরান একটি সংগঠিত নীরবতায় পড়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ, যোগাযোগ অচল, সাক্ষীদের ভয় দেখানো এবং গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া মানে সরকার নীরবে হত্যাকাণ্ড চালাতে চায় এবং পরে তার চিহ্ন মুছে ফেলতে চায়।” তিনি এটিকে “সংগঠিত হত্যাকাণ্ড” বলে বর্ণনা করেছেন, যা সরাসরি গুলি চালানোর মাধ্যমে ইন্টারনেট শাটডাউনের আড়ালে ঘটছে।
এবাদি শুধু মৃত্যুর সংখ্যাই নয়, সহিসংতার ধরনকেও উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। এবাদি অবিলম্বে ইন্টারনেট সেবা পুনর্বহাল, স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে ইরান সরকার এখনো এই অভিযোগের সরাসরি জবাব দেয়নি, তবে পূর্বে তারা বিক্ষোভকারীদের ‘সন্ত্রাসী’ ও বিদেশি প্রভাবিত বলে দাবি করেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে উদ্বেগ বাড়ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তদন্তের দাবি উঠছে।
















