প্রকাশ: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে জোট ও আসন সমঝোতা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এরই মধ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিচ্ছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি গণমাধ্যমে।
প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়, বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট ছাড়ার পর নাগরিক ঐক্য এবার জামায়াতের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যুক্ত হতে পারে। গুঞ্জন সত্য হলে ওই জোটটি ১২ দলীয় রূপ নিতে পারে বলেও আলোচনা চলে। এমনকি মান্না ও জামায়াত জোটের নেতাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে—এমন তথ্যও সামনে আসে।
তবে এসব আলোচনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। মানবজমিনকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটে যাওয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি নাগরিক ঐক্যের পক্ষ থেকেই নির্বাচনী কাজ করছি। আমার এলাকায় সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বীই হলো জামায়াতে ইসলামী।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় নানা ধরনের গুজব ছড়ানো স্বাভাবিক। “ভোট এলেই এ রকম অসংখ্য রিউমার শোনা যায়। এগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই,”—যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন করছেন। এই দুই আসনেই জামায়াত বা তাদের জোটসঙ্গীদের প্রার্থী থাকায় জোটের গুঞ্জন আরও আলোচনার জন্ম দেয়। বগুড়া-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাদাতুজ্জামান এবং ঢাকা-১৮ আসনে জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর আগে আসন সমঝোতা না হওয়ায় বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয় নাগরিক ঐক্য। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দলটির পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।
যদিও মান্না স্পষ্টভাবে গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন, তবু নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থামছে না।
















