ডেস্ক রিপোর্ট
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। সে ক্ষেত্রে আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। একই দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নিতে পারেন।
সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর দায়িত্ব দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অথবা তাঁর মনোনীত ব্যক্তির। নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে শপথ না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারেন।
সরকারি সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগের পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ফলে সিইসির মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠানের সম্ভাবনাই বেশি। এ ক্ষেত্রে গেজেট প্রকাশের পর তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে বিকল্প কোনো সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রস্তাব এলে তার ভিত্তিতেও সিদ্ধান্ত হতে পারে।
শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আরও তিন থেকে চার দিন সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট আপাতত স্থগিত রয়েছে।
















