মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া এবং রাজাকারবিরোধী অবস্থানকে সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর বামপন্থী শিক্ষার্থীদের একাংশ গানের কর্মসূচি আয়োজন করেছে।
শুক্রবার বিকেল চারটা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা পিকআপ ভ্যানে সাউন্ড সিস্টেম বসিয়ে গান বাজিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। সন্ধ্যার দিকে তারা টিএসসি প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন। সেখানে গানের তালে নাচের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকদের একজন ইলালালা ফারিয়া মতিন বলেন, দেশের একটি অংশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-কে ভোট দিলেও অধিকাংশ মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে। রাজাকারবিরোধী গান নিয়ে রাস্তায় নামলে সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস দেখা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি। “মুক্তিযুদ্ধ মানুষ খায় না”—এ ধরনের বক্তব্যকে তিনি ‘ভিত্তিহীন’ বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এনামুল হাসান। তিনি বলেন, নির্বাচনপূর্ব সময়ে দেশবিরোধী অপশক্তি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতি চর্চার চেষ্টা করেছে। টিএসসিতে স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধীদের ছবি টাঙানোর ঘটনাও দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে এনামুল হাসান বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ একাত্তরবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তবে জামায়াত কার্যত বিরোধী দলে থাকায় বিষয়টিকে তিনি ‘অ্যালার্মিং’ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একাত্তরবিরোধী এজেন্ডার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে তারা “সব রাজাকার ভেসে যাবে বঙ্গোপসাগরে” গানের মহড়া করেছেন।

















