আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪০
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংস সংঘর্ষের ঘটনায় অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন, এবং দেশের হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই নেই। আহতদের চিকিৎসা দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।
বিবিসির সঙ্গে কথা বলা তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন, অনেক তরুণের মাথা ও বুকে গুলি লেগেছে। এছাড়া শরীরে গুলিবিদ্ধ এবং রাবার বুলেটের ক্ষত নিয়ে অনেক আহত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালগুলো আহতদের ভিড় সামলাতে সমস্যায় পড়েছে।
ইরানের চলমান বিক্ষোভের পেছনে মূলত অর্থনৈতিক সংকট, ডলারের বিপরীতে ইরানি মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রয়েছে। ধীরে ধীরে বিক্ষোভ সব প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সহিংস রূপ ধারণ করেছে।
সরকারি বাহিনীর হামলায় কয়েকশ’ বিক্ষোভকারী নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। বহু মানুষকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৪ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রাশত্ শহরের পুরসিনা হাসপাতালে শুক্রবার রাতে ৭০ জনের মরদেহ আনা হয়, কিন্তু মর্গে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় লাশগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়।
ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উপর অভিযোগ আছে, দেশটির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে ‘সহিংস নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে চিত্রিত করার জন্য। 이에 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “ইরান এখন স্বাধীনতা চায়, এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তায় পুরোপুরি প্রস্তুত।”
২০২২ সালে তেহরানে পুলিশের হেফাজতে কুর্দি নারী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া বিক্ষোভের পর এবারের আন্দোলনকে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
















