কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে একটি ‘আস্তানায়’ হামলা চালিয়ে ‘পীর’কে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাকাম : সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজ।
শনিবার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে দাবি জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়,অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ৯৭টি মাজারে হামলার প্রমাণ পাওয়া গেলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উক্ত ৯৭টি হামলার ঘটনায় ৩জন নিহত ও ৪৬৮জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করে মাকাম।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ্য করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাকাম’র পক্ষ থেকে ১২টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি পাঠানো হয়েছিল । রাজনৈতিক দলগুলো চিঠি গ্রহণ করলেও তাদের ইশতেহারে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, যা অত্যন্ত হতাশাজনক হলে মন্তব্য করে প্রতিষ্ঠানটি। মাজারে হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান বিএনপি সরকারেরও সদিচ্ছা ও কার্যকরী সমাধানের দৃশ্যমান গাফিলতির ফলেই কুষ্টিয়ায় এমন নৃশংস, ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
কুষ্টিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে এজন্য জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায় মাকাম। মাজারে হামলার ঘটনার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রণয়ন উভয়ই অত্যন্ত জরুরী এবং জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকার অবিলম্বে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে মনে করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাকাম।














