পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সর্ব মিত্র চাকমা। সমালোচনার মুখে কয়েক দিন আগে তিনি পদ ছাড়ার কথা জানালেও এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে সর্ব মিত্র চাকমা বলেন, শিক্ষার্থীদের মতামতের কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছেন। তার ভাষায়, “শিক্ষার্থীরা চাচ্ছেন না আমি পদত্যাগ করি। তারা এটাকে গণবিরোধী বলছেন। এভাবে পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা তাকে বিরোধীপক্ষের চাপ বা সমালোচনায় কান না দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সে কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্রও এ ধরনের পদত্যাগকে সমর্থন করে না।
তবে গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় তার পদত্যাগ সাংঘর্ষিক—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য পদত্যাগ করলে, মৃত্যুবরণ করলে বা অপসারিত হলে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্ধারিত নিয়মে শূন্য পদ পূরণ করার বিধান রয়েছে। গঠনতন্ত্রের ১২(খ) ধারায় এ সংক্রান্ত নির্দেশনার কথা উল্লেখ আছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলতে আসা কয়েকজন কিশোরকে কান ধরে উঠবস করানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সর্ব মিত্র চাকমা। ওই ঘটনার পর গত সোমবার তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তবে সেদিন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি।

















