ঝিনাইদহে এক বাবা, মো. আবু জাফর, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও জেলা কেশবচন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তার ছেলে নাহিদ হাসান সবুজকে আইনগতভাবে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) তিনি জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হলফনামার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেন।
হলফনামায় আবু জাফর উল্লেখ করেছেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের কথার প্রতি অবাধ্য এবং নিজের ইচ্ছেমতো জীবনযাপন করছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সরকার পরিবর্তনের পরও নাহিদ হাসান সবুজ ছাত্রলীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে গত ২১ ফেব্রুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের কার্যক্রম পুনঃচালনায় তার যুক্ত থাকার বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি।
শপথনামায় বাবার দাবি, তার ছেলে আলাদা বসবাস করছেন এবং পরিবারের সঙ্গে কোনো আর্থিক বা দায়-দেনার সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতে নাহিদ যদি কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ান, তার দায়ভার তিনি বা পরিবারের কেউ গ্রহণ করবেন না। এই কারণে তিনি আইনগতভাবে ছেলেকে পরিবারের বাইরে ঘোষণা করেছেন।
আবু জাফর বলেন, “দেশের আইন ও নীতিমালার পরিপন্থী কাজ আমার সন্তান করুক তা আমি চাই না। বারবার সতর্ক করার পরও সে সংশোধন হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এই প্রক্রিয়ায় আবু জাফরকে আইনগত সহায়তা দিয়েছেন জেলা জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. সাদাতুর রহমান হাদি। নাহিদ হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি; তার ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।














