ডেস্ক রিপোর্ট : চমমোনাই ইসলামের ইজ্জত রক্ষার জন্য এককভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ পীর রেজাউল করীম ।
পহেলা ফেব্রুয়ারি (রোববার ) লক্ষ্মীপুর-০১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের এমপিপ্রার্থী আলহাজ জাকির হোসেন পাটোয়ারীর সমর্থনে রামগঞ্জ পৌর শিশুপার্কে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে চুয়ান্ন বছর আগে দেশ স্বাধীন করতে গিয়ে লাখো মানুষ শাহাদাত বরণ করেছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন—তা হলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু যারা এ চুয়ান্ন বছর দেশ পরিচালনা করেছে, তাদের মাধ্যমে এর একটাও আমরা বাস্তবে দেখতে পাইনি। বরং এদের পরিচালনার মাধ্যমে আমাদের সোনার বাংলাদেশ পাঁচবার চোরের দিক থেকে, দুর্নীতির দিক থেকে ফার্স্ট হয়েছে। হাজার হাজার মায়ের কোল খালি হয়েছে। এসব মায়েদের আর্তনাদ আর কতকাল শুনব? এদেশকে আমরা দুর্নীতিতে কতবার চ্যাম্পিয়ন করব? সন্তানগুলো পঙ্গু হবে, চক্ষু হারাবে আমাদের দেশের টাকা বিদেশে পাচার হবে, এটা আমরা কতদিন দেখব?
মুফতি রেজাউল করীম বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশটাকে সুন্দরভাবে গড়ার একটা সুযোগ এসেছে। এ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে যখন আমরা আওয়াজ তুলেছিলাম ইসলামের পক্ষে একটা বাক্স, তখন সারা বাংলাদেশের মানুষের সাড়া ও উদ্দীপনা সেভাবে আমরা দেখতে পেয়েছি। কিন্তু মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে যখন আওয়াজ তুলেছিল, তখন এক শ্রেণির ক্ষমতালোভী স্বার্থান্বেষী মহল ইসলামের পক্ষের বাক্সের পরিবর্তে তারা আবার ঘোষণা করল, ‘ইসলামের নীতি-আদর্শ অনুযায়ী তারা দেশ চালাবে না, দেশ চালাবে প্রচলিত আইন এবং নীতি-আদর্শের মাধ্যমে।’ তখন আমরা হতভম্ব হয়ে গেলাম। তখনই ইসলামী আন্দোলনের যে ঘোষণা ছিল – ইসলামের পক্ষের বাক্স ও ইসলামের ইজ্জতকে রক্ষার জন্য হাতপাখা নিয়ে এককভাবে ২৫৮ আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, মহান আল্লাহ বলেছেন যে জাতি নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা না করে, আমি সে জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাই না। আজকে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের এখানে উপস্থিতি দেখে আমার মন বলছে, ইসলামের পক্ষের প্রার্থী, মানবতার কল্যাণের পক্ষের প্রার্থী এবং দেশকে যারা ভালোবাসে তাদের পক্ষের প্রার্থী, হাতপাখার প্রার্থী আল্লাহর রহমতে বিজয়ী হবে।
















