ঢাকা, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনা ভবন এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ এর অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, বিক্ষোভের সময় কেবল সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে এবং কোনও গুলিবর্ষণ বা প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার ঘটেনি।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে জলকামানের ওপর উঠে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে যমুনা ভবন ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রেস সচিব জানান, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ ২৩ জন ঘটনাস্থল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন, তবে কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত গঠনের জন্য আগামী রবিবার আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সরকারি বিবৃতিতে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল রাজনৈতিক দল ও নাগরিকদের ধৈর্য ও সংযমের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।”














