হবিগঞ্জ মাধবপুর-চুনারুঘাট সংসদীয় আসনে আল্লামা গিয়াস উদ্দীন তাহেরীকে অন্যায়ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে কিছু হলুদ মিডিয়া পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করছে বলে অভিযোগ তূলেছে তাহেরীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনা টিমের চ্যানেল ডিআইবি চ্যানেল। এক বিবৃতিতে বলা হয়, একটি নির্দিষ্ট মহল ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্যের অপব্যবহার করে আল্লামা তাহেরীর বিরুদ্ধে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আল্লামা তাহেরীর দাখিল করা হলফনামার ৬ নম্বর টপিকের “আয়ের উৎস” অংশ। ওই অংশের ৪ নম্বর ক্রমিকে শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ও সুদ—এই পাঁচটি খাত একত্রে উল্লেখ করার বিধান রয়েছে। সেখানে মোট আয় হিসেবে ২২ হাজার ৮৯২ টাকা দেখানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এই পাঁচটি খাতের যেকোনো একটি বা একাধিক উৎস থেকে আয় হলে একই ক্রমিকে তা উল্লেখ করতে হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে ‘সুদ’ শব্দটি থাকা সত্ত্বেও কিছু কুচক্রী মহল কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই পুরো আয়কে সুদের আয় হিসেবে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাস্তবতা হলো—শেয়ার, বন্ড বা সঞ্চয়পত্র থেকেও আয় হলে এই একই ঘরেই তা উল্লেখ করতে হয়। এমনকি হলফনামায় সামান্য ত্রুটি থাকলেও মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণার ঝুঁকি থাকে। ফলে আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণেই এই ফরম্যাট অনুসরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সমালোচকরা বলছেন, হলফনামা সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশনে বর্তমানে এক ধরনের নোংরামো লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আকর্ষণীয় কিন্তু ভিত্তিহীন ও বানোয়াট শিরোনাম ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং আল্লামা তাহেরীকে সামাজিক ও নৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চলছে, যা সরাসরি ব্যক্তিগত আক্রমণের শামিল।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা অনুসরণ না করে এমন সংবাদ পরিবেশন শুধু একজন ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। তারা এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

















